শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
উত্তরের চোখ
সর্বশেষ
ধান নষ্টের অভিযোগের আড়ালে কী ঘটেছিল? একই দিন বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, অবরুদ্ধ পরিবার.......

দিনাজপুরের খানসামায়

ধান নষ্টের অভিযোগের আড়ালে কী ঘটেছিল? একই দিন বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, অবরুদ্ধ পরিবার.......

দিনাজপুরের খানসামায় জমির ধান নষ্ট করে দেড় লাখ টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগে ঘটনার সময় উল্লেখ করা হয়েছে ১৬ অক্টোবর ভোর ৫টা। অথচ একই দিন সন্ধ্যার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক উপজেলা আমির মো. আতাউর রহমানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, এ সময় তাঁদের প্রায় চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। বাড়ি থেকে একটি টেলিভিশন নিয়ে যাওয়া এবং টিউবওয়েল ও পাঁচটি বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরের অভিযোগও করেছেন তাঁরা।পরিবারের অভিযোগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও উত্তেজনা পুরোপুরি থামেনি। এমনকি পুলিশের উপস্থিতিতেও ভাঙচুর চলেছে বলে দাবি তাঁদের। একপর্যায়ে পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে থানায় নিয়ে যাওয়ার দাবি তোলে উত্তেজিত জনতা বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। একই দিনে ধান নষ্টের অভিযোগ এবং সন্ধ্যায় বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের পাল্টা অভিযোগ ঘিরে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।তবে ধান নষ্ট, বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।ভোরে ধান নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির দাবি দেড় লাখ টাকা:খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে মো. মনিরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৬ অক্টোবর ভোর আনুমানিক পাঁচটার দিকে বিরোধপূর্ণ জমিতে চার্জার স্প্রে মেশিন দিয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় আগাছানাশক প্রয়োগ করে আমন ধান নষ্ট করা হয়। এতে আনুমানিক এক লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।অভিযোগপত্রে জমিটি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আদালতে মামলা চলমান থাকার কথাও উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ জমির মালিকানা বা দখলসংক্রান্ত বিরোধ আগে থেকেই ছিল বলে অভিযোগকারী তাঁর লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন।তবে ধান নষ্টের অভিযোগের পক্ষে কী ধরনের আলামত রয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে কিংবা আগাছানাশক প্রয়োগের বিষয়টি কোনো কৃষি কর্মকর্তা বা নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ যাচাই করেছেন কি না—এসব তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। জমির প্রকৃত অবস্থা, ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাইয়ের মাধ্যমেই অভিযোগটির সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব।জমির পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন—লিখিত অভিযোগে দুই বিঘা, ভিডিওতে পাঁচ বিঘা?এ ঘটনায় জমির পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আতাউর রহমান। তাঁর দাবি, লিখিত অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ দুই বিঘা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে ‘খানসামা বার্তা’ নামের একটি ফেসবুক পেজ বা অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওতে অভিযোগকারীকে পাঁচ বিঘা জমির কথা বলতে শোনা গেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে ভিডিওটির মূল বক্তব্য ও প্রেক্ষাপট যাচাই করা জরুরি। লিখিত অভিযোগে প্রকৃতপক্ষে কতটুকু জমির কথা বলা হয়েছে, ভিডিওতে কোন জমির পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে এবং দুই বক্তব্যের মধ্যে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না—তা নথি ও ভিডিও পাশাপাশি পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।একই সঙ্গে দেড় লাখ টাকা ক্ষতির হিসাব কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, কতটুকু জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দাবির পক্ষে কী তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।একই দিন সন্ধ্যায় আতাউর রহমানের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ:ধান নষ্টের অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর, ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় আতাউর রহমানের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার।পরিবারের দাবি, একদল লোক বাড়িতে এসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এ সময় বাড়ির দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের বাড়ির ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। তাঁদের অভিযোগ, বাড়ি থেকে একটি টেলিভিশন নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাড়ির টিউবওয়েল ও পাঁচটি বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুর করা হয়।পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তাঁরা আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গেলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি।তবে কারা এ ঘটনায় জড়িত, ঠিক কীভাবে ভাঙচুর ও কথিত লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং কী পরিমাণ সম্পদের ক্ষতি হয়েছে—এসব বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার ছবি-ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক আলামত পাওয়া গেলে সেগুলো তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।৯৯৯-এ ফোন, ঘটনাস্থলে পুলিশ—তবু কেন থামেনি উত্তেজনা?আতাউর রহমানের পরিবারের দাবি, বাড়িতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তাঁরা সাংবাদিকদের পাশাপাশি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে অভিযোগ তাঁদের।পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেও ভাঙচুর চলতে থাকে এবং একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরে যায়। পরে খানসামা থানার ওসি ঘটনাস্থলে যান বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে তাঁর উপস্থিতিতেও ভাঙচুর চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।এ সময় উত্তেজিত জনতার একটি অংশ পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে রাতেই থানায় নিয়ে যাওয়ার দাবি জানায় এবং অন্যথায় তাঁদের নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলে অভিযোগ পরিবারের। তাঁদের দাবি, পরিস্থিতির অবনতি ও নিরাপত্তার আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।এখানে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার তদন্ত ও বিচার আইনগত প্রক্রিয়ায় হওয়াই প্রত্যাশিত। জনতার চাপের মুখে কাউকে হস্তান্তরের দাবি তোলা হয়ে থাকলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অপরিহার্য।জমির বিরোধ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ—প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনে তদন্ত জরুরিএকদিকে জমির ধান নষ্ট করে দেড় লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ, অন্যদিকে একই দিন সন্ধ্যায় বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, টেলিভিশন নিয়ে যাওয়া, টিউবওয়েল ও পাঁচটি বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুর এবং পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার পাল্টা অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে।এ ঘটনায় এক পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে অন্য পক্ষকে দোষী সাব্যস্ত করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি কোনো পক্ষের অভিযোগকে উপেক্ষা করাও উচিত নয়। ধান নষ্টের অভিযোগ যাচাইয়ে জমির অবস্থা, ফসলের ক্ষয়ক্ষতি, আগাছানাশক প্রয়োগের আলামত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন। একইভাবে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ যাচাইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের বিবরণ, ছবি-ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং জরুরি সেবায় যোগাযোগের তথ্য পর্যালোচনা করা জরুরি।এ বিষয়ে খানসামা থানা পুলিশের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বক্তব্য এবং অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ চিত্র সামনে আসতে পারে।জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে তার সমাধান হতে হবে আইনগত প্রক্রিয়ায়। ফসল নষ্টের অভিযোগের সত্যতা যেমন নিরপেক্ষ তদন্তে নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন, তেমনি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা দরকার।চলমান......

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!
থাইরয়েডের ওষুধ কখন আজীবন, কখন বন্ধ করা যায়? জানালেন চিকিৎসক

থাইরয়েডের ওষুধ কখন আজীবন, কখন বন্ধ করা যায়? জানালেন চিকিৎসক

বর্তমানে অনেকের কাছেই শোনা যায়, ‘আমার থাইরয়েডের সমস্যা হয়েছে।’ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাইরয়েড গ্রন্থির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থি থেকে হরমোন কম বা বেশি তৈরি হলে শরীরে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের জটিলতা। ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন, হৃদস্পন্দনে অস্বাভাবিকতা, ঘুম ও মেজাজের পরিবর্তন—এসবও থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। তবে কারা বেশি ঝুঁকিতে এবং কখন সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, তা জানা জরুরি।থাইরয়েড হলো গলার সামনের দিকে অবস্থিত একটি ছোট গ্রন্থি। শরীরের মেটাবলিজম, হৃদস্পন্দন, তাপমাত্রা, শক্তি এবং বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রমে থাইরয়েড হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে হরমোন কম তৈরি হলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম এবং বেশি তৈরি হলে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়। হাইপোথাইরয়েডিজমের অন্যতম সাধারণ কারণ হলো হাশিমোটোস থাইরয়ডাইটিস। এটি একটি অটোইমিউন রোগ, অর্থাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে নিজের থাইরয়েড গ্রন্থিকে আক্রমণ করে।নারীদের ঝুঁকি বেশি:- থাইরয়েডের রোগ, বিশেষ করে অটোইমিউন থাইরয়েড রোগ, পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আমেরিকান থাইরয়েড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, নারীদের থাইরয়েডের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। বিশেষ করে হাশিমোটোস থাইরয়ডাইটিস নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।এটিএর একটি সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, নারীদের ক্ষেত্রে এ রোগের ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে পুরুষদের থাইরয়েড রোগ হয় না। পুরুষদেরও থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে এবং প্রয়োজন হলে তাদেরও পরীক্ষা করা উচিত।সাম্প্রতিক একটি বড় যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যাভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৮–৯৪ এবং ২০০৭–১২ সময়কালে অটোইমিউন থাইরয়েড রোগের প্রকোপ প্রায় একই ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে রোগ শনাক্ত করার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। থাইরয়েডের ওষুধ কি আজীবন খেতে হয়? অনেক রোগীর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে হাশিমোটোসের কারণে স্থায়ী হাইপোথাইরয়েডিজম হলে দীর্ঘমেয়াদি, এমনকি সারাজীবন লেভোথাইরক্সিন প্রয়োজন হতে পারে।তবে সব ক্ষেত্রে থাইরয়েডের ওষুধ আজীবন খেতে হয় না। কিছু ধরনের থাইরয়ডাইটিস কিংবা গর্ভাবস্থার পরবর্তী থাইরয়েডের সমস্যার ক্ষেত্রে হাইপোথাইরয়েডিজম সাময়িক হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে পরবর্তীতে থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমানো বা বন্ধ করা সম্ভব হতে পারে।তবে টিএসএইচ (TSH) স্বাভাবিক হলেই নিজের ইচ্ছায় থাইরয়েডের ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। ওষুধ চালিয়ে যাওয়া, মাত্রা পরিবর্তন কিংবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে।শুধু ওজনের পরিবর্তন নয়:- থাইরয়েডের সমস্যা মানেই শুধু মোটা হওয়া বা ওজন কমে যাওয়া নয়। অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, ঠান্ডা বা গরম সহ্য না হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত ঘাম, মাসিকের অনিয়ম এবং চুল পড়ার মতো উপসর্গও বিভিন্ন ধরনের থাইরয়েড রোগে দেখা যেতে পারে।তবে এসব উপসর্গ অন্য অনেক রোগ বা শারীরিক অবস্থার কারণেও হতে পারে। তাই শুধু উপসর্গের ভিত্তিতে থাইরয়েড রোগ নির্ণয় না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।লেখিকা: ডা. ইসমত জেরিন সুরভী, এমবিবিএস (ডিইউ)

বেলকুচিতে এমপি আমিরুল খানকে সংবর্ধনা

বেলকুচিতে এমপি আমিরুল খানকে সংবর্ধনা

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীমকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বানিয়াগাঁতী সীতা নাথ একাডেমী (স্কুল অ্যান্ড কলেজ)-এর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলকুচি উপজেলার বানিয়াগাঁতী সীতা নাথ একাডেমী (স্কুল অ্যান্ড কলেজ) প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীম।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন ভূইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম গোলাম, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব বনি আমিন,  বেলকুচি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম পরিচালনা কমিটির সদস্য কেরামত আলী তালুকদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মাহমুদুল হাসান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ খোন্দকার নজরুল ইসলাম।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই মূল চ্যালেঞ্জ : ডিএসই চেয়ারম্যান

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই মূল চ্যালেঞ্জ : ডিএসই চেয়ারম্যান

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেছেন, পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং বিনিয়োগকারীদের হারিয়ে যাওয়া আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন আমার প্রধান কাজ। বর্তমানে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একটি বিশেষ রূপান্তরকালীন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার বাজার উন্নয়নে অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।  রবিবার বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০২৬ (ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টরস উইক) উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, বাজার পরিচালনায় বর্তমানে অভিজ্ঞ ও পেশাদার কমিশন দায়িত্ব পালন করছে। এর পাশাপাশি স্টক এক্সচেঞ্জ, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি এবং সব মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠান (ইন্টারমিডিয়ারি) ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতের বিভিন্ন অনিয়ম ও অদক্ষতার কারণে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব ও প্রলোভন থেকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দেওয়া এখন সময়ের দাবি। পুঁজিবাজারের অনিয়ম ও অনাকাঙ্ক্ষিত তৎপরতা প্রতিরোধে বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের নজরদারি (সার্ভেইল্যান্স) ব্যবস্থার আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে। প্রথাগত নজরদারি ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই উন্নত প্রযুক্তির নতুন সার্ভেইল্যান্স ভার্সন চালু করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। বিডি প্রতিদিন/কেএ

২৬ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩২৮ আসামির বিচার চলছে....

২৬ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩২৮ আসামির বিচার চলছে....

দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলা ছাড়াও বিগত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনায় করা একাধিক মামলা রয়েছে। বিচারাধীন এসব মামলায় আসামি রয়েছেন ৩২৮ জন। এছাড়া দুটি ট্রাইব্যুনালের অধীনে দায়েরকৃত ৪৪টি মামলা রয়েছে তদন্তাধীন। বিচারাধীন ও তদন্তাধীন এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি রয়েছেন ৪৮৮ জন। এদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন ১৮৩ জন। পলাতক রয়েছেন ৩৫২ জন। পলাতকদের মধ্যে ৪৮ জন দণ্ডপ্রাপ্ত। এদিকে দুটি ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলাগুলোর মধ্যে সাতটি মামলার রায় হয়েছে। তিনটি মামলায় রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আর চারটি মামলায় রায় দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-২। দুটি ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনাসহ ২৩ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।  ৩৯ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। তথ্য প্রকাশের পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বলেন, ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর ট্রাইব্যুনালগুলোর অবকাঠামো ও কার্যক্রম নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছে। এ কারণে তদন্ত ও বিচারকাজে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে একটি মামলার বিচার শেষ করতে গড়ে সাত থেকে আট মাস সময় লাগে। তদন্তের সময়কাল মামলাভেদে ভিন্ন হয়। এছাড়া গ্রেফতার কয়েক জন সাবেক মন্ত্রী ও উপদেষ্টার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছে প্রসিকিউশন। এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। অভিযোগ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চিফ প্রসিকিউটরের অনুমোদন পাওয়ার পর তা দাখিল করা হবে। তিনি বলেন, প্রসিকিউশন আইনে নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাজ করছে। উভয় পক্ষকে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করছেন। তবে এ তদন্ত শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে, তা এখনই বলা কঠিন বলে জানান তিনি। প্রসিকিউটর তামীম বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন, আনিসুল হকসহ কয়েকটি আলোচিত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হতে পারে। মামলাগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতিতে প্রসিকিউশন সন্তুষ্ট। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আসামিপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক হবে। এরপরের কার্যতালিকা নির্ধারণ করবে ট্রাইব্যুনাল।  

থাইরয়েডের ওষুধ কখন আজীবন, কখন বন্ধ করা যায়? জানালেন চিকিৎসক

থাইরয়েডের ওষুধ কখন আজীবন, কখন বন্ধ করা যায়? জানালেন চিকিৎসক

বর্তমানে অনেকের কাছেই শোনা যায়, ‘আমার থাইরয়েডের সমস্যা হয়েছে।’ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাইরয়েড গ্রন্থির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থি থেকে হরমোন কম বা বেশি তৈরি হলে শরীরে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের জটিলতা। ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন, হৃদস্পন্দনে অস্বাভাবিকতা, ঘুম ও মেজাজের পরিবর্তন—এসবও থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। তবে কারা বেশি ঝুঁকিতে এবং কখন সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, তা জানা জরুরি।থাইরয়েড হলো গলার সামনের দিকে অবস্থিত একটি ছোট গ্রন্থি। শরীরের মেটাবলিজম, হৃদস্পন্দন, তাপমাত্রা, শক্তি এবং বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রমে থাইরয়েড হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে হরমোন কম তৈরি হলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম এবং বেশি তৈরি হলে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়। হাইপোথাইরয়েডিজমের অন্যতম সাধারণ কারণ হলো হাশিমোটোস থাইরয়ডাইটিস। এটি একটি অটোইমিউন রোগ, অর্থাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে নিজের থাইরয়েড গ্রন্থিকে আক্রমণ করে।নারীদের ঝুঁকি বেশি:- থাইরয়েডের রোগ, বিশেষ করে অটোইমিউন থাইরয়েড রোগ, পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আমেরিকান থাইরয়েড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, নারীদের থাইরয়েডের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। বিশেষ করে হাশিমোটোস থাইরয়ডাইটিস নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।এটিএর একটি সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, নারীদের ক্ষেত্রে এ রোগের ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে পুরুষদের থাইরয়েড রোগ হয় না। পুরুষদেরও থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে এবং প্রয়োজন হলে তাদেরও পরীক্ষা করা উচিত।সাম্প্রতিক একটি বড় যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যাভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৮–৯৪ এবং ২০০৭–১২ সময়কালে অটোইমিউন থাইরয়েড রোগের প্রকোপ প্রায় একই ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে রোগ শনাক্ত করার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। থাইরয়েডের ওষুধ কি আজীবন খেতে হয়? অনেক রোগীর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে হাশিমোটোসের কারণে স্থায়ী হাইপোথাইরয়েডিজম হলে দীর্ঘমেয়াদি, এমনকি সারাজীবন লেভোথাইরক্সিন প্রয়োজন হতে পারে।তবে সব ক্ষেত্রে থাইরয়েডের ওষুধ আজীবন খেতে হয় না। কিছু ধরনের থাইরয়ডাইটিস কিংবা গর্ভাবস্থার পরবর্তী থাইরয়েডের সমস্যার ক্ষেত্রে হাইপোথাইরয়েডিজম সাময়িক হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে পরবর্তীতে থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমানো বা বন্ধ করা সম্ভব হতে পারে।তবে টিএসএইচ (TSH) স্বাভাবিক হলেই নিজের ইচ্ছায় থাইরয়েডের ওষুধ বন্ধ করা যাবে না। ওষুধ চালিয়ে যাওয়া, মাত্রা পরিবর্তন কিংবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে।শুধু ওজনের পরিবর্তন নয়:- থাইরয়েডের সমস্যা মানেই শুধু মোটা হওয়া বা ওজন কমে যাওয়া নয়। অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, ঠান্ডা বা গরম সহ্য না হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত ঘাম, মাসিকের অনিয়ম এবং চুল পড়ার মতো উপসর্গও বিভিন্ন ধরনের থাইরয়েড রোগে দেখা যেতে পারে।তবে এসব উপসর্গ অন্য অনেক রোগ বা শারীরিক অবস্থার কারণেও হতে পারে। তাই শুধু উপসর্গের ভিত্তিতে থাইরয়েড রোগ নির্ণয় না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।লেখিকা: ডা. ইসমত জেরিন সুরভী, এমবিবিএস (ডিইউ)

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন