রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
উত্তরের চোখ

মূল পাতা

সারাদেশ

রংপুরের তারাগঞ্জে

বাজার থেকে প্রত্যন্ত গ্রামেও হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

বাজার থেকে প্রত্যন্ত গ্রামেও হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

রংপুরের তারাগঞ্জে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক। উপজেলা সদরসহ পাঁচ ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে মাদকের কারবার। গাঁজা, ইয়াবা ও টাপেন্টাডলের পাশাপাশি ফেনসিডিল, ফেয়ারডিল, ইসকাফসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় সিরাপ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ায় উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের দামোদরপুর, ছিলাপাক বাজার ও বুড়িরহাট, কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর, জিগারতলা, আদর্শগ্রাম ও শিয়ালডাঙ্গা, হাড়িয়ারকুঠির বালাবাড়ি, ইকরচালী, বরাতিবাজার ও বামনদীঘিসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বেচাকেনার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মাদক কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে বিভিন্ন কৌশলে এসব মাদক সরবরাহ করছে। বাজারকেন্দ্রিক বিক্রির পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার নির্দিষ্ট কিছু স্পট ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও স্থানীয়দের দাবি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগের পর নির্দিষ্ট স্থানে মাদক পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সম্প্রতি উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের চিকলী বাজারে মাছের কাটুনের ভেতর থেকে ৭ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের পরও এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া গাঁজার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রহস্যজনক কারণে ছেড়ে দিয়ে পরে গাঁজার চালানটি পরিত্যক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে। 

মাদকের সহজলভ্যতায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে কিশোর ও তরুণদের নিয়ে। স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ ও বাজারকেন্দ্রিক এলাকায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

সচেতন মহলের প্রশ্ন—এত এলাকায় নিয়মিত মাদক বিক্রির অভিযোগ থাকলেও মূল কারবারিরা ধরা পড়ছে না কেন? শুধু মাদক বহনকারী বা খুচরা বিক্রেতাকে আটক না করে এর নেপথ্যে থাকা সরবরাহকারী ও মূল কারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

বাজার থেকে প্রত্যন্ত গ্রামেও হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক
0:00 0:00
1.0x
উত্তরের চোখ

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


বাজার থেকে প্রত্যন্ত গ্রামেও হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রংপুরের তারাগঞ্জে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক। উপজেলা সদরসহ পাঁচ ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে মাদকের কারবার। গাঁজা, ইয়াবা ও টাপেন্টাডলের পাশাপাশি ফেনসিডিল, ফেয়ারডিল, ইসকাফসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় সিরাপ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ায় উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের দামোদরপুর, ছিলাপাক বাজার ও বুড়িরহাট, কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর, জিগারতলা, আদর্শগ্রাম ও শিয়ালডাঙ্গা, হাড়িয়ারকুঠির বালাবাড়ি, ইকরচালী, বরাতিবাজার ও বামনদীঘিসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বেচাকেনার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মাদক কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে বিভিন্ন কৌশলে এসব মাদক সরবরাহ করছে। বাজারকেন্দ্রিক বিক্রির পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার নির্দিষ্ট কিছু স্পট ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও স্থানীয়দের দাবি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগের পর নির্দিষ্ট স্থানে মাদক পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।


সম্প্রতি উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের চিকলী বাজারে মাছের কাটুনের ভেতর থেকে ৭ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের পরও এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া গাঁজার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রহস্যজনক কারণে ছেড়ে দিয়ে পরে গাঁজার চালানটি পরিত্যক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে। 


মাদকের সহজলভ্যতায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে কিশোর ও তরুণদের নিয়ে। স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ ও বাজারকেন্দ্রিক এলাকায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

সচেতন মহলের প্রশ্ন—এত এলাকায় নিয়মিত মাদক বিক্রির অভিযোগ থাকলেও মূল কারবারিরা ধরা পড়ছে না কেন? শুধু মাদক বহনকারী বা খুচরা বিক্রেতাকে আটক না করে এর নেপথ্যে থাকা সরবরাহকারী ও মূল কারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।


উত্তরের চোখ

সম্পাদক: বাদশাহ ওসমানী 
প্রকাশক: মো: জসিম উদ্দিন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত উত্তরের চোখ