দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনোটি পাসের হার ৫০ শতাংশের ঘরও অতিক্রম করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতেও ৪৫ দশমিক ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে পাসের হারে উপজেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, পাসের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খানসামা মহিলা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৪৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ৪১ দশমিক ৯২ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকেরহাট সরকারি কলেজ। এ ছাড়া শাপলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পাসের হার ৩৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ, খানসামা ডিগ্রি কলেজের ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ, কাচিনীয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং বাংলাভাষা কলেজের ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র তিনটির পাসের হার ৪০ শতাংশের বেশি। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৩৫ শতাংশের নিচে। সবচেয়ে কম ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাভাষা কলেজ। সার্বিক ফলাফল উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এবার পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, খানসামা মহিলা কলেজ এবং পাকেরহাট সরকারি কলেজ থেকে একজন করে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ এই ফল অর্জন করেছে। অর্থাৎ, সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
আজ দুপুরে প্রতিষ্ঠানের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মো.শাহরিয়ার জামান শাহ্ নিপুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে লেখেন, এইচএসসি-২০২৬ ফলাফলের বিপর্যয়েও আবারো জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মেধাতালিকায় খানসামা উপজেলায় সেরা।
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনোটি পাসের হার ৫০ শতাংশের ঘরও অতিক্রম করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতেও ৪৫ দশমিক ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে পাসের হারে উপজেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, পাসের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খানসামা মহিলা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৪৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ৪১ দশমিক ৯২ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকেরহাট সরকারি কলেজ। এ ছাড়া শাপলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পাসের হার ৩৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ, খানসামা ডিগ্রি কলেজের ২৫ দশমিক ২৯ শতাংশ, কাচিনীয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং বাংলাভাষা কলেজের ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র তিনটির পাসের হার ৪০ শতাংশের বেশি। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৩৫ শতাংশের নিচে। সবচেয়ে কম ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাভাষা কলেজ। সার্বিক ফলাফল উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এবার পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, খানসামা মহিলা কলেজ এবং পাকেরহাট সরকারি কলেজ থেকে একজন করে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ এই ফল অর্জন করেছে। অর্থাৎ, সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
আজ দুপুরে প্রতিষ্ঠানের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মো.শাহরিয়ার জামান শাহ্ নিপুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে লেখেন, এইচএসসি-২০২৬ ফলাফলের বিপর্যয়েও আবারো জমির উদ্দিন শাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মেধাতালিকায় খানসামা উপজেলায় সেরা।
মতামত