সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মুকুন্দগাঁতী মৌজার জমি দখলসংক্রান্ত অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিকের ওয়ারিশরা। এ ঘটনায় নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে তাঁরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) সকালে বেলকুচি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এ প্রতিবাদ জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাফিজুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বলেন, মুকুন্দগাঁতী মৌজার এসএ ১০৯ নম্বর দাগের রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন তাঁর বাবা সামাদ এবং চাচা আজহার ও মোজাম্মেল হক। ক্রয়সূত্রে এসএ রেকর্ডমূলে তাঁর বাবা ও চাচারা ওই দাগে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ (সোয়া সাত শতাংশ) জমির বৈধ মালিক। তাঁদের দাবি, রেকর্ডীয় মালিকরা ওই জমি পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা প্রতিপক্ষ শামু বেগমের কাছে কখনো বিক্রি করেননি। জমিটি এখনো তাঁদের বৈধ দখলে রয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ শামু বেগম তাঁদের স্বত্ব ও দখলীয় জমিতে জোরপূর্বক বাড়িঘর নির্মাণের চেষ্টা করছেন। অনধিকার প্রবেশ থেকে জমি রক্ষার জন্য চারপাশে টিনের বেড়া দেওয়া হলে শামু বেগম মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ সম্মেলন করেন বলে দাবি করেন তিনি। এতে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা মারাত্মকভাবে পারিবারিক ও সামাজিক মানহানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন হাফিজুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও দাবি করেন, শামু বেগম আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য ও সুবিধাভোগী। তাঁর অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও জমি নিয়ে তাঁদের রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে। বর্তমানে ওপর মহলের চাপের কথা বলে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁদের সঙ্গে শামু বেগমের কোনো পারিবারিক বিরোধ বা আর্থিক জটিলতা না থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা তাঁদের সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান এবং জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিরসনে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য: সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রতিপক্ষ শামু বেগমের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মুকুন্দগাঁতী মৌজার জমি দখলসংক্রান্ত অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিকের ওয়ারিশরা। এ ঘটনায় নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে তাঁরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) সকালে বেলকুচি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এ প্রতিবাদ জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাফিজুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বলেন, মুকুন্দগাঁতী মৌজার এসএ ১০৯ নম্বর দাগের রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন তাঁর বাবা সামাদ এবং চাচা আজহার ও মোজাম্মেল হক। ক্রয়সূত্রে এসএ রেকর্ডমূলে তাঁর বাবা ও চাচারা ওই দাগে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ (সোয়া সাত শতাংশ) জমির বৈধ মালিক। তাঁদের দাবি, রেকর্ডীয় মালিকরা ওই জমি পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা প্রতিপক্ষ শামু বেগমের কাছে কখনো বিক্রি করেননি। জমিটি এখনো তাঁদের বৈধ দখলে রয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ শামু বেগম তাঁদের স্বত্ব ও দখলীয় জমিতে জোরপূর্বক বাড়িঘর নির্মাণের চেষ্টা করছেন। অনধিকার প্রবেশ থেকে জমি রক্ষার জন্য চারপাশে টিনের বেড়া দেওয়া হলে শামু বেগম মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ সম্মেলন করেন বলে দাবি করেন তিনি। এতে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা মারাত্মকভাবে পারিবারিক ও সামাজিক মানহানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন হাফিজুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও দাবি করেন, শামু বেগম আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য ও সুবিধাভোগী। তাঁর অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও জমি নিয়ে তাঁদের রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে। বর্তমানে ওপর মহলের চাপের কথা বলে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁদের সঙ্গে শামু বেগমের কোনো পারিবারিক বিরোধ বা আর্থিক জটিলতা না থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা তাঁদের সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান এবং জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিরসনে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য: সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রতিপক্ষ শামু বেগমের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
মতামত