জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন,শুনেছি পতিত স্বৈরাচার নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসবে। আমরা জানি, সেই স্বৈরাচারকে এই নতুন স্বৈরাচার কোনোভাবেই মোকাবিলা করতে পারবে না। কারণ তারা নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি, জনগণকে কীভাবে রক্ষা করবে? তাই তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, ‘‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জনগণকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মুজিববাদী ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং এই দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আবারও রাস্তায় নামতে হবে।’’
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর শাহবাগে এনসিপির গণবিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানি মন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দফা দাবি আদায়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করে দলটি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদের আকাঙ্ক্ষায় যে গণভোট হয়েছিল, সেই গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণ ভোট দিয়েছিলেন। সেই গণভোটকে বাদ দিয়ে সংবিধান কাটাছেঁড়ার যে দায়িত্ব নিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমরা তার পদত্যাগের দাবিতে আজকে শাহবাগে এসেছি। ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘হাজারও মানুষের রক্তদানের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এক স্বৈরাচারকে বিদায় করা হয়েছে। কিন্তু এখন দেশে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখা যাচ্ছে। তবে পতিত স্বৈরাচার ও নব্য স্বৈরাচার, দুই স্বৈরাচারকেই পরাজিত করা হবে।’’
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘‘আজকে আমরা চার দফা দাবি নিয়ে শাহবাগে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। বিগত এক সপ্তাহ ধরেই আমাদের নেতারা এই ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছেন। জনগণের সঙ্গে কথা বলেছেন। মানুষ তাদের সমস্যার কথা বলেছেন। মানুষের বাসায় গ্যাস নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সন্ত্রাস, রাহাজানি, দোকানদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ সবার জীবন আজ নাজেহাল। বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই। সারা দেশের সব প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করা হচ্ছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বাংলাদেশের জনগণের কোনও নিরাপত্তা নেই। নিরাপত্তা দিতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতার সবচেয়ে সবচেয়ে বড় দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের। তিনি নিজ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধনের কাজে ব্যস্ত হয়েছেন।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘যে একতরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি করা হয়েছে, অবিলম্বে সেই কমিটি বাতিল করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ করতে হবে। কারণ সংবিধান সংস্কার পরিষদ করাটাই ছিল জুলাই সনদ এবং এই গণভোটের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। বিএনপি সেই প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের পর প্রথম দিন থেকেই ভঙ্গ করেছে।’’
নাহিদ বলেন, ‘‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার নানা ধরনের চক্রান্ত চলছে।সীমান্তে হত্যা করা হচ্ছে। পাহাড়ে অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের ওপারে আসামে মুসলমানদের নিপীড়ন করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের নিপীড়ন করা হচ্ছে। দিল্লিতে মসজিদ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে এবং বাংলাদেশের মুসলমানদের নিয়েও চক্রান্ত করছে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ। বাংলাদেশের হিন্দুদের নিয়েও চক্রান্ত করছে। এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’’
তিনি অভিযোগ করেন,বিএনপি প্রথম দিন থেকেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আসছে। জুলাই সনদে, ৩১ দফায়, তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে যতগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এর সবগুলোই ভঙ্গ করে যাচ্ছে। আমরা খুব স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি— তারেক রহমানের দেশ পরিচালনা করার কোনও ধরনের প্ল্যান-পরিকল্প নেই। তাদের প্ল্যান-পরিকল্পনা হয়েছে— কীভাবে দেশ থেকে দুর্নীতি করবে, কীভাবে লুটপাট করবে, কীভাবে চাঁদাবাজি করবে, কীভাবে সন্ত্রাস কায়েম করবে, কীভাবে দখলদারত্ব করবে। সেই পরিকল্পনা নিয়ে জনাব তারেক রহমান লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছেন।’’
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘‘বাংলাদেশে যে নৈরাজ্য চলমান রয়েছে, খুন, গুম চলছে, এসবকিছুর ব্যর্থতা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে, জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আমাদের এই মিছিল বড় হবে। সারা বাংলাদেশের সর্বত্রই আমরা মিছিল করব। সেই মিছিল নিয়ে আমরা তারেক রহমানকে ঘেরাও করে দাবি আদায় করে ছাড়বো।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা দেখছি, জাপানে গিয়ে বাংলাদেশকে আবারও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে করিডর তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবৈধ করিডর ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন তারেক রহমান। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এ ধরনের কোনও অবৈধ করিডর দেশের মানুষ মানবে না। ডিসেম্বরে যদি গঙ্গা চুক্তি ন্যায্যভাবে নতুন করে তৈরি করা না হয়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ আবারও রাজপথে নামবে। এবার আমরা গঙ্গা চুক্তিতে কোনওভাবেই এক বিন্দু পরিমাণ আমাদের ন্যায্য হিস্যায় ছাড় দেব না।’’
ঢাকা মহানগরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘জুলুম থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এনসিপি তার দুই কান্ডারিকে আপনাদের সামনে সমর্পণ করছে। আমাদের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং আসিফ মাহমুদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ঢাকা মহানগর উত্তরে নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ, তারা জয়লাভ করে ঢাকা মহানগরবাসীর সব দুঃখ-দুর্দশা দূর করবেন।’’
গণবিক্ষোভে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারোয়ার তুষার, আলী আহসান জুনায়েদ সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রমুখ।
১. ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানি মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে।
২. মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পরিপন্থী সব ধরনের আইন বাতিল করতে হবে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী পাশ করা যাবে না।
৩. জুলাই গণহত্যার বিচার সম্পন্ন করে অবিলম্বে তা কার্যকর করতে হবে।
৪. বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অনুমতি চাওয়া পুলিশ প্রধানকে (আইজিপি) অপসারণ করতে হবে।
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন,শুনেছি পতিত স্বৈরাচার নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসবে। আমরা জানি, সেই স্বৈরাচারকে এই নতুন স্বৈরাচার কোনোভাবেই মোকাবিলা করতে পারবে না। কারণ তারা নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি, জনগণকে কীভাবে রক্ষা করবে? তাই তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, ‘‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জনগণকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মুজিববাদী ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং এই দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আবারও রাস্তায় নামতে হবে।’’
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর শাহবাগে এনসিপির গণবিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানি মন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দফা দাবি আদায়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করে দলটি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদের আকাঙ্ক্ষায় যে গণভোট হয়েছিল, সেই গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণ ভোট দিয়েছিলেন। সেই গণভোটকে বাদ দিয়ে সংবিধান কাটাছেঁড়ার যে দায়িত্ব নিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমরা তার পদত্যাগের দাবিতে আজকে শাহবাগে এসেছি। ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘হাজারও মানুষের রক্তদানের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এক স্বৈরাচারকে বিদায় করা হয়েছে। কিন্তু এখন দেশে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখা যাচ্ছে। তবে পতিত স্বৈরাচার ও নব্য স্বৈরাচার, দুই স্বৈরাচারকেই পরাজিত করা হবে।’’
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘‘আজকে আমরা চার দফা দাবি নিয়ে শাহবাগে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। বিগত এক সপ্তাহ ধরেই আমাদের নেতারা এই ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছেন। জনগণের সঙ্গে কথা বলেছেন। মানুষ তাদের সমস্যার কথা বলেছেন। মানুষের বাসায় গ্যাস নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সন্ত্রাস, রাহাজানি, দোকানদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ সবার জীবন আজ নাজেহাল। বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই। সারা দেশের সব প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করা হচ্ছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বাংলাদেশের জনগণের কোনও নিরাপত্তা নেই। নিরাপত্তা দিতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতার সবচেয়ে সবচেয়ে বড় দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের। তিনি নিজ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধনের কাজে ব্যস্ত হয়েছেন।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘যে একতরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি করা হয়েছে, অবিলম্বে সেই কমিটি বাতিল করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ করতে হবে। কারণ সংবিধান সংস্কার পরিষদ করাটাই ছিল জুলাই সনদ এবং এই গণভোটের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। বিএনপি সেই প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের পর প্রথম দিন থেকেই ভঙ্গ করেছে।’’
নাহিদ বলেন, ‘‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার নানা ধরনের চক্রান্ত চলছে।সীমান্তে হত্যা করা হচ্ছে। পাহাড়ে অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের ওপারে আসামে মুসলমানদের নিপীড়ন করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের নিপীড়ন করা হচ্ছে। দিল্লিতে মসজিদ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে এবং বাংলাদেশের মুসলমানদের নিয়েও চক্রান্ত করছে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ। বাংলাদেশের হিন্দুদের নিয়েও চক্রান্ত করছে। এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’’
তিনি অভিযোগ করেন,বিএনপি প্রথম দিন থেকেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আসছে। জুলাই সনদে, ৩১ দফায়, তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে যতগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এর সবগুলোই ভঙ্গ করে যাচ্ছে। আমরা খুব স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি— তারেক রহমানের দেশ পরিচালনা করার কোনও ধরনের প্ল্যান-পরিকল্প নেই। তাদের প্ল্যান-পরিকল্পনা হয়েছে— কীভাবে দেশ থেকে দুর্নীতি করবে, কীভাবে লুটপাট করবে, কীভাবে চাঁদাবাজি করবে, কীভাবে সন্ত্রাস কায়েম করবে, কীভাবে দখলদারত্ব করবে। সেই পরিকল্পনা নিয়ে জনাব তারেক রহমান লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছেন।’’
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘‘বাংলাদেশে যে নৈরাজ্য চলমান রয়েছে, খুন, গুম চলছে, এসবকিছুর ব্যর্থতা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে, জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আমাদের এই মিছিল বড় হবে। সারা বাংলাদেশের সর্বত্রই আমরা মিছিল করব। সেই মিছিল নিয়ে আমরা তারেক রহমানকে ঘেরাও করে দাবি আদায় করে ছাড়বো।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা দেখছি, জাপানে গিয়ে বাংলাদেশকে আবারও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে করিডর তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবৈধ করিডর ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন তারেক রহমান। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এ ধরনের কোনও অবৈধ করিডর দেশের মানুষ মানবে না। ডিসেম্বরে যদি গঙ্গা চুক্তি ন্যায্যভাবে নতুন করে তৈরি করা না হয়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ আবারও রাজপথে নামবে। এবার আমরা গঙ্গা চুক্তিতে কোনওভাবেই এক বিন্দু পরিমাণ আমাদের ন্যায্য হিস্যায় ছাড় দেব না।’’
ঢাকা মহানগরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘জুলুম থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এনসিপি তার দুই কান্ডারিকে আপনাদের সামনে সমর্পণ করছে। আমাদের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং আসিফ মাহমুদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ঢাকা মহানগর উত্তরে নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ, তারা জয়লাভ করে ঢাকা মহানগরবাসীর সব দুঃখ-দুর্দশা দূর করবেন।’’
গণবিক্ষোভে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারোয়ার তুষার, আলী আহসান জুনায়েদ সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রমুখ।
১. ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানি মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে।
২. মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পরিপন্থী সব ধরনের আইন বাতিল করতে হবে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী পাশ করা যাবে না।
৩. জুলাই গণহত্যার বিচার সম্পন্ন করে অবিলম্বে তা কার্যকর করতে হবে।
৪. বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অনুমতি চাওয়া পুলিশ প্রধানকে (আইজিপি) অপসারণ করতে হবে।
মতামত