হবিগঞ্জের বাহুবলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে পরিচালিত অভিযানে আটক প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- বাহুবল উপজেলার করিমপুর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে ছালমান মিয়া, পুরান মহুরী গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে ফজল ইসলাম এবং হরিতলা গ্রামের খালেক মেম্বারের ছেলে রায়হান আহমদ নাবিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশের ভারসাম্য ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই অবৈধ বালু উত্তোলনকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ ও পরিবেশ সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসন এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে পরিচালিত অভিযানে আটক প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- বাহুবল উপজেলার করিমপুর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে ছালমান মিয়া, পুরান মহুরী গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে ফজল ইসলাম এবং হরিতলা গ্রামের খালেক মেম্বারের ছেলে রায়হান আহমদ নাবিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশের ভারসাম্য ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই অবৈধ বালু উত্তোলনকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ ও পরিবেশ সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসন এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
মতামত