নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১২ বছরের নাতনিকে যৌন হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আপন দাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির মা সুরভী আক্তার গত ২০ সেপ্টেম্বর সৈয়দপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগকারী সুরভী আক্তার রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত জমির উদ্দিন প্রামাণিকের মেয়ে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর পৌর এলাকার বাঙালিপুর মন্ডলপাড়া এলাকার ইসরাফিল মন্ডলের ছেলে মশিয়ার রহমান লিটনের সঙ্গে সুরভী আক্তারের বিয়ে হয়। পরে দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এ ঘটনায় ২০১৯ সালে তারাগঞ্জ পারিবারিক আদালতে মামলা হয়। পরে ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়।
অভিযোগে বলা হয়, আপসের সময় তাদের দুই নাবালিকা কন্যার দায়িত্ব বাবার পরিবারের কাছে দেওয়া হয়। পরে মশিয়ার রহমান দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করলে দুই মেয়ে দাদা ইসরাফিল মন্ডল ও দাদি মোছা. মোর্শেদা বেগমের কাছে থাকত। বড় মেয়ে বর্তমানে ১২ বছর বয়সী এবং সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
সুরভী আক্তারের অভিযোগ, গত ২ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়ার টাকা নিতে মেয়েটি বাঙালিপুর নিজপাড়া এলাকায় তার দাদার অটোগ্যারেজে যায়। সেখানে একা পেয়ে ইসরাফিল মন্ডল তার সঙ্গে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে বিদ্যুতের শক দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে শিশুটি গ্যারেজ থেকে বের হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে এক শিক্ষিকাকে বিষয়টি জানায়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি অবহিত করলে স্বজনরা সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় শিশুটি তার মামা মোশারফ হোসেন মানিকের সঙ্গে তারাগঞ্জে নানার বাড়িতে যেতে চায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ঘটনার আইনগত প্রতিকার চেয়ে সুরভী আক্তার সৈয়দপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সুরভী আক্তার বলেন, ‘আমার সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর মেয়েদের বাবার পরিবারের কাছে রাখা হয়েছিল। সেই সুযোগে আমার মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও মেয়ের নিরাপত্তা চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, ‘এ ব্যাপারে ২০ সেপ্টেম্বর শিশুটির মা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।’
রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১২ বছরের নাতনিকে যৌন হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আপন দাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির মা সুরভী আক্তার গত ২০ সেপ্টেম্বর সৈয়দপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগকারী সুরভী আক্তার রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত জমির উদ্দিন প্রামাণিকের মেয়ে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর পৌর এলাকার বাঙালিপুর মন্ডলপাড়া এলাকার ইসরাফিল মন্ডলের ছেলে মশিয়ার রহমান লিটনের সঙ্গে সুরভী আক্তারের বিয়ে হয়। পরে দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এ ঘটনায় ২০১৯ সালে তারাগঞ্জ পারিবারিক আদালতে মামলা হয়। পরে ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়।
অভিযোগে বলা হয়, আপসের সময় তাদের দুই নাবালিকা কন্যার দায়িত্ব বাবার পরিবারের কাছে দেওয়া হয়। পরে মশিয়ার রহমান দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করলে দুই মেয়ে দাদা ইসরাফিল মন্ডল ও দাদি মোছা. মোর্শেদা বেগমের কাছে থাকত। বড় মেয়ে বর্তমানে ১২ বছর বয়সী এবং সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
সুরভী আক্তারের অভিযোগ, গত ২ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়ার টাকা নিতে মেয়েটি বাঙালিপুর নিজপাড়া এলাকায় তার দাদার অটোগ্যারেজে যায়। সেখানে একা পেয়ে ইসরাফিল মন্ডল তার সঙ্গে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে বিদ্যুতের শক দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে শিশুটি গ্যারেজ থেকে বের হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে এক শিক্ষিকাকে বিষয়টি জানায়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি অবহিত করলে স্বজনরা সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় শিশুটি তার মামা মোশারফ হোসেন মানিকের সঙ্গে তারাগঞ্জে নানার বাড়িতে যেতে চায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ঘটনার আইনগত প্রতিকার চেয়ে সুরভী আক্তার সৈয়দপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সুরভী আক্তার বলেন, ‘আমার সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর মেয়েদের বাবার পরিবারের কাছে রাখা হয়েছিল। সেই সুযোগে আমার মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও মেয়ের নিরাপত্তা চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, ‘এ ব্যাপারে ২০ সেপ্টেম্বর শিশুটির মা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।’
মতামত