রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
উত্তরের চোখ

মূল পাতা

আর্কাইভ

নগদের ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ

নগদের ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ

থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের (পরিবর্তিত নাম নগদ লিমিটেড) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৭৮৬ কোটি ৩৯ হাজার ২৮৪ টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো: শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এ আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বের করে নেয়া, বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা না এনে অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে শেয়ার হস্তান্তর, জিরো কুপন বন্ডের অর্থ দিয়ে বিদেশী ঋণ পরিশোধ, বিদেশে অর্থ পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তানভীর আহমেদ মিশুকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, ২০২১ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘নগদ’র মাধ্যমে বিতরণ করা সরকারি ভাতার অব্যবহৃত অর্থ সফটওয়্যার জালিয়াতির মাধ্যমে ২৪ হাজার ১৫৯টি ভুয়া উদ্যোক্তার ওয়ালেটে স্থানান্তর করা হয়। পরে তা ৬৪৮টি ভুয়া ডিএসও এবং ৩৪টি অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরিয়ে নেয়া হয়।

দুদক বলেছে, এ প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭০৬ কোটি ৩৮ লাখ ৫৪ হাজার ২২৯ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ১২৭টি শেয়ার কেনায় ব্যবহার করা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের আবেদনে আরো বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা শেয়ারগুলো বিক্রি বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। এসব শেয়ার বিক্রি করে অর্থ বিদেশে পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদেশী প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকরা শেয়ার কেনার জন্য বিদেশ থেকে বৈধভাবে অর্থ এনেছেন- এমন তথ্যও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে শেয়ারগুলো হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১৪ ধারা এবং দুদক বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী শেয়ারগুলো অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়।

আদালতের আদেশের অনুলিপি নিবন্ধক, যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদফতর (আরজেএসসি), ‘নগদ’র প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের কাছে পাঠানোর জন্যও আবেদন করা হয়েছে।

সূত্র : বাসস

নগদ শেয়ার বাজার

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

নগদের ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ
0:00 0:00
1.0x
উত্তরের চোখ

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


নগদের ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের (পরিবর্তিত নাম নগদ লিমিটেড) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৭৮৬ কোটি ৩৯ হাজার ২৮৪ টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো: শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এ আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বের করে নেয়া, বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা না এনে অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে শেয়ার হস্তান্তর, জিরো কুপন বন্ডের অর্থ দিয়ে বিদেশী ঋণ পরিশোধ, বিদেশে অর্থ পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তানভীর আহমেদ মিশুকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, ২০২১ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘নগদ’র মাধ্যমে বিতরণ করা সরকারি ভাতার অব্যবহৃত অর্থ সফটওয়্যার জালিয়াতির মাধ্যমে ২৪ হাজার ১৫৯টি ভুয়া উদ্যোক্তার ওয়ালেটে স্থানান্তর করা হয়। পরে তা ৬৪৮টি ভুয়া ডিএসও এবং ৩৪টি অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরিয়ে নেয়া হয়।

দুদক বলেছে, এ প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭০৬ কোটি ৩৮ লাখ ৫৪ হাজার ২২৯ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ১২৭টি শেয়ার কেনায় ব্যবহার করা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের আবেদনে আরো বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা শেয়ারগুলো বিক্রি বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। এসব শেয়ার বিক্রি করে অর্থ বিদেশে পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদেশী প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকরা শেয়ার কেনার জন্য বিদেশ থেকে বৈধভাবে অর্থ এনেছেন- এমন তথ্যও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে শেয়ারগুলো হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১৪ ধারা এবং দুদক বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী শেয়ারগুলো অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়।

আদালতের আদেশের অনুলিপি নিবন্ধক, যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদফতর (আরজেএসসি), ‘নগদ’র প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের কাছে পাঠানোর জন্যও আবেদন করা হয়েছে।

সূত্র : বাসস


উত্তরের চোখ

সম্পাদক: বাদশাহ ওসমানী 
প্রকাশক: মো: জসিম উদ্দিন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত উত্তরের চোখ